সোমবার   ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ৫ ১৪২৬   ২২ জমাদিউস সানি ১৪৪১

আমার রাজশাহী
৯৯৪

জেনে নেই রুয়েটের প্রকৃত ইতিহাস

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ নভেম্বর ২০১৯  

রাজশাহী মহানগরী মূলত ‘শিক্ষানগরী’ হিসেবে দেশব্যাপী পরিচিত। আর এই শিক্ষানগরীকে গৌরবান্বিত করেছে যে সকল প্রতিষ্ঠান তার অন্যতম হলো রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-রুয়েট।  এটি বাংলাদেশের একটি শীর্ষস্থানীয় প্রকৌশল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন অধিভুক্ত বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রাচীনতম এবং উত্তরাঞ্চলের একমাত্র পাবলিক প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়।

রুয়েট ক্যাম্পাস রাজশাহী শহর থেকে ৩ কি.মি. পূর্বে বহমান পদ্মার তীর ঘেষে কাজলা-তালাইমারীর প্রান্তে অবস্থিত। এর পূর্বে রয়েছে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপিঠ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। রুয়েট ক্যাম্পাসের আয়তন ১৫২ একর। এতে ডিপার্টমেন্ট ভবন, ল্যাবেরেটরি, ওয়ার্কশপ, লাইব্রেরী, জিমনেশিয়াম, কেন্দ্রীয় সাধারণ কক্ষ, ক্যাফেটেরিয়া, শিক্ষার্থীদের আবাসিক হল, শিক্ষক ও কর্মচারীদের আবাসিক এলাকা অবস্থিত। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার বিকাশে প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। তবে এর বিকাশ  ঘটেছে মূলত একটি কলেজ পর্যায়ের প্রতিষ্ঠান থেকে। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনলোজি-বিআইটি থেকে রাজশাহী ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনলোজি ইউনিভার্সিটিতে উত্তরণ ঘটে।

বিআইটি : ১৯৬৪ খ্রিষ্টাব্দে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে শিল্প বিকাশ, প্রকৌশল শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি এবং জাতীয় উন্নয়নের চাহিদার প্রেক্ষিতে স্নাতক পর্যায়ে প্রকৌশলী সৃষ্টির উদ্দেশ্যে সরকারি উদ্যোগে ‘প্রকৌশল মহাবিদ্যালয় রাজশাহী’ প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮৬ খ্রিষ্টাব্দে এই প্রতিষ্ঠানকে একটি স্বায়ত্ত্বশাসিত ও ডিগ্রি প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করা হয় এবং নতুন নামকরণ হয় ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (বিআইটি) রাজশাহী’। ১৯৯৩ খ্রিষ্টাব্দ থেকে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা হয়।

১৯৬৪ সালের ডিসেম্বরে ১২২ জন ছাত্র নিয়ে ‘রাজশাহী প্রকৌশল মহাবিদ্যালয়’ নামে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে প্রকৌশল অনুষদ হিসেবে যাত্রা শুরু করে। তখন এখানে যন্ত্রকৌশল, পুরকৌশল এবং তড়িৎকৌশল বিভাগের অধীনে সম্মান ডিগ্রি প্রদান করা হতো। কিন্তু প্রশাসনিক জটিলতার কারণে এর শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছিল। কারণ এর প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করত শিক্ষা মন্ত্রণালয়, অ্যাকাডেমিক ক্যারিকুলাম ঠিক করত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় আর অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ করতো পাবলিক ওয়ার্কস ডিপার্টমেন্ট। এ সমস্যা সমাধানের জন্য ১৯৭৩ সালে কয়েকটি কমিশন ও কমিটি গঠন করা হয়।

এই কমিশন ও কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে দেশের চারটি প্রকৌশল মহাবিদ্যালয়কে স্বায়ত্তশাসন দেয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর জন্য বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ভিসি ড. ওয়াহিদ উদ্দীনের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটি দেশের চারটি প্রকৌশল মহাবিদ্যালয়কে একত্রে নিয়ে ১৯৮৬ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (বিআইটি) গঠন করে। কিন্তু সীমিত স্বায়ত্তশাসন এবং বিআইটি অধ্যাদেশের কিছু সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতার কারণে এই প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল। তখনই বিআইটিগুলোকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এর ধারাবাহিকতায় জাতীয় সংসদে বিশ্ববিদ্যালয় বিলটি পাশের মাধ্যমে ২০০৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর এটিকে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) এ রূপান্তর করা হয়।

রুয়েট : ২০০৩ খ্রিষ্টাব্দে জাতীয় সংসদে বিল উত্থাপনের মাধ্যমে সাবেক বিআইটির স্থলে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-রুয়েট প্রতিস্থাপিত হয়। ২০০৩ খ্রিষ্টাব্দের ১ সেপ্টেম্বর রুয়েটের নামফলক উন্মোচন করা হয়। বর্তমানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকৌশল, প্রযুক্তি ও নগর পরিকল্পনা বিষয়ে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে প্রায় চার হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করে। মোট শিক্ষকের সংখ্যা আড়াই শতাধিক।

রুয়েটে বর্তমানে ৪টি পূর্ণাঙ্গ অনুষদের অধীনে মোট ১৪টি পূর্ণাঙ্গ বিভাগ ও চারটি সহযোগী বিভাগসহ মোট ১৮টি ডিগ্রী প্রদানকারী বিভাগ আছে। যন্ত্রকৌশল অনুষদে রয়েছে- ইন্ডাস্ট্রিয়াল ও প্রোডাকশন কৌশল বিভাগ, যন্ত্রকৌশল বিভাগ, গ্লাস ও সিরামিক কৌশল বিভাগ, মেকাট্রোনিক্স বিভাগ, ম্যাটেরিয়াল সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, কেমিক্যাল ও ফুড প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ। তড়িৎ এবং কম্পিউটার কৌশল অনুষদে রয়েছে- তড়িৎ এবং ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগ, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ, তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল বিভাগ, ইলেক্ট্রনিক ও টেলিকমিউনিকেশন কৌশল বিভাগ।

পুরকৌশল অনুষদের আওতায় রয়েছে- পুরকৌশল বিভাগ, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ, স্থাপত্য বিভাগ, বিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড কনস্ট্রাকশন ম্যানেজমেন্ট বিভাগ। সহযোগী বিভাগ হিসেবে অ্যপ্লাইড সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের আওতায় রয়েছে- পদার্থ বিভাগ, মানবিক বিভাগ, রসায়ন বিভাগ, গণিত বিভাগ। গবেষণার পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা আছে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে।

গবেষণাগারসমূহের মধ্যে রয়েছে- পুরকৌশল অনুষদে- সয়েল মেকানিক্স ল্যাব, স্ট্রেনথ অব মেটারিয়াল ল্যাব, ফ্লুইড ল্যাব, ইনভায়রেন্ট ল্যাব, পাবলিক হেলথ ল্যাব, ট্রানসপোর্টেশন ল্যাব। যন্ত্রকৌশল অনুষদে- মেট্রোলজি ল্যাব, হিট ইন্জিন ল্যাব, ফ্লুইড ল্যাব, উড শপ, মেশিন শপ, ফাউন্ড্রি শপ, বয়লার শপ, ওয়েল্ডিং শপ ও শিট মেটাল, কম্পিউটার ল্যাব।

তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক কৌশল অনুষদে- ইলেক্ট্রনিক ল্যাব, ইলেক্ট্রিক্যাল মেশিন ল্যাব, ইলেক্ট্রিক্যাল মেজারমেন্ট ল্যাব, টেলিকমিউনিকেশন ল্যাব, ন্যানোটেকনোলজি ল্যাব। কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে- ডিজিটাল ও হার্ডওয়্যার ল্যাব, সফটওয়্যার ও নেটওয়ার্ক ল্যাব, সফটওয়্যার ল্যাব, আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স ও রোবটিক্স ল্যাব, এনালাইটিক্যাল প্রোগ্রামিং ল্যাব। এখানে ৫ তলা লাইব্রেরী আছে। লাইব্রেরীতে সকল বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য সহায়ক বইসমুহ রয়েছে।

এখানে একটি চিকিৎসা কেন্দ্র আছে। শহীদ লেফটেন্যান্ট সেলিম হলের সম্মুখে মেডিক্যাল সেন্টারটি অবস্থিত। দুইজন এমবিবিএস ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে মেডিক্যাল অফিসার ও কর্মচারীদের নিয়ে গড়ে ওঠা মেডিক্যাল সেন্টারটি ছাত্রদের সকল শারীরিক অসুস্থতার আরোগ্যসাধন করে থাকে। এখানে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ঔষধ সরবরাহ করা হয়।

তাছাড়া জরুরি প্রয়োজনের জন্য মেডিক্যাল সেন্টারের নিজস্ব একটি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে। প্রত্যেক বিভাগীয় ভবনে একটি করে অত্যন্ত আধুনিক কম্পিউটার সেন্টার রয়েছে। রুয়েট প্রশাসনিক ভবনের পাশেই ৭০০ আসনবিশিষ্ট শীতাতপনিয়ন্ত্রিত একটি আধুনিক মিলনায়তন রয়েছে, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব অনুষ্ঠানের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সেমিনার ও কনফারেন্সগুলো অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও প্রতিটি ডিপার্টমেন্টের নিজস্ব সেমিনার রুম ও কনফারেন্স হল রয়েছে।

এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের আবাসিক সুবিধা নিশ্চিত করতে ছাত্রদের জন্য ৬টি এবং ছাত্রীদের জন্য ১টি আবাসিক হল আছে। হলগুলোর নামকরণে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ব্যতীত সকলেই উক্ত প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছিলেন এবং মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শাহাদত বরণ করেন। হলগুলোর নাম ও আসন সংখ্যা হচ্ছে- শহীদ লে: সেলিম হল- ৩৫০, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হল- ৫০০, শহীদ শহিদুল ইসলাম হল- ২২০, শহীদ আব্দুল হামিদ হল-২২০, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর হল- ২৫০, টিনশেড হল-১০০, দেশরত্ন শেখ হাসিনা হল- ১৫০। এছাড়া ছাত্র/ছাত্রীদের আবাসন সমস্যা সমাধানের জন্য নতুন ২টি আবাসিক হল নির্মাণ প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

রুয়েটের শিক্ষার্থীদের নিয়মিত শরীরচর্চা এবং ইনডোর গেম্স খেলার সুবিধার্থে শহীদ শহিদুল ইসলাম হলের সামনে একটি আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত ব্যায়ামাগার রয়েছে। ভিসির বাসভবনের সামনে সুদৃশ্য একটি জামে মসজিদ রয়েছে। রাজশাহী নগরীতে রুয়েটের এই মসজিদ বহুল আলোচিত। দুই ঈদেই এখানে ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করতে রুয়েট ক্যাম্পাসে একটি বিশাল পানি সংগ্রাহাগার ও একটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট স্থাপিত হয়েছে। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাশে চমৎকার একটি ক্যাফেটেরিয়া রয়েছে। এখানে কমদামে বেশ স্বাস্থ্যসম্মত খাবার পাওয়া যায়।

কো-কারিকুলার অ্যাকটিভিটিজ হিসেবে বেশ কিছু সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান সক্রিয়ভাবে কর্মকা- পরিচালনা করে থাকে রুয়েটে। উল্লেখযোগ্য সংগঠন এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমে রয়েছে- আইইইই রুয়েট ছাত্র শাখা, রোবোটিক সোসাইটি অফ রুয়েট, ডিবেটিং সোসাইটি অফ রুয়েট, রুয়েট সাহিত্য সংঘ (রুসাস), ম্যাথেমেটিকাল সোসাইটি অফ রুয়েট, ধ্রুবক, রুয়েট ক্যারিয়ার ক্লাব, ফটোগ্রাফিক সোসাইটি অফ রুয়েট, অ্যাস্ট্রোফিজিক্স ক্লাব, রুয়েট চেস ক্লাব, রুয়েট সকার সোসাইটি, রুয়েট প্রোগ্রামিং এসোসিয়েশন, টেলিকমিউনিকেশন ক্লাব, ব্লগারস অ্যাসোসিয়েশন অফ রুয়েট, অ্যাস্ট্রনমিকাল সোসাইটি অব রুয়েট, এন্ড্রয়েড ডেভেলপার অফ রুয়েট।

বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে বিশেষ ভূমিকা ও কৃতিত্বের দাবীদার রুয়েট। কৃতি শিক্ষার্থীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিরা হলেন- শহীদ মুক্তিযোদ্ধা লেফটেন্যান্ট সেলিম মো. কামরুল হাসান, বীর প্রতীক। তিনি ’৬৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী, ১৯৭১ সালের ৩১ মার্চ তিনি দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি অবরুদ্ধ মিরপুর মুক্ত করতে গিয়ে তিনি শাহাদাতবরণ করেন।

অন্যজন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ শহিদুল ইসলাম। তিনিও ’৬৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী। ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর কুষ্টিয়া সদর উপজেলার উজানগ্রাম ইউনিয়নের করিমপুর গ্রামে পাক বাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধে শহীদ হন। ‘ঐশী জ্যোতিই আমাদের পথ প্রদর্শক’ শিরোনামের শ্লোগানকে বুকে ধারণ করে মাথা উঁচু করে শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে রুয়েট।

রুয়েট-এর বর্তমান ভিসি প্রফেসর ড. মো: রফিকুল ইসলাম সেখ ২০১৮ সালের জুলাই মাসে যোগদান করেন। রেজিস্ট্রারের (ভারপ্রাপ্ত) দায়িত্ব পালন করছেন, ড. মো: সেলিম হোসেন। বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের সদস্য সংখ্যা ভিসিসহ ১৫ জন।

এন/কে

আমার রাজশাহী
আমার রাজশাহী
এই বিভাগের আরো খবর