বুধবার   ২৯ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১৬ ১৪২৬   ০৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১

আমার রাজশাহী
১০

নির্বাচনী পথসভায় ইশরাককে ধমক দিলেন মির্জা আব্বাস

ডেস্ক নিউজ

প্রকাশিত: ১৩ জানুয়ারি ২০২০  

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর নির্বাচনী জনসংযোগ শুরু করেছেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেন। ১০ জানুয়ারি জুরাইনে ইশরাকের প্রথম পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। জানা যায়, প্রথম পথসভাতে ভয়ানক বিশৃঙ্খল পরিবেশ দেখে প্রকাশ্যে ইশরাকের নেতৃত্ব দেয়ার ক্ষমতা নেই বলে ধমক দেন মির্জা আব্বাস।

সূত্র বলছে, ধানের শীষের প্রার্থী ইশরাক জুরাইনে তার বাবা সদ্যপ্রয়াত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকার কবর জিয়ারত করার পর একটি পথসভাতে অংশগ্রহণ করেন। সে সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস সেই পথসভাতে অংশ নেন। পথসভা আয়োজনে তীব্র বিশৃঙ্খলা দেখে ইশরাকের সাংগঠনিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন মির্জা আব্বাস।

বিশেষ করে বিএনপির এই সিনিয়র নেতা ইশরাকের পক্ষে দলের জুনিয়র নেতাদের স্লোগানকে চিৎকার চেঁচামেচি করা হচ্ছে আখ্যা দিয়ে বলেন, “নির্বাচনের জন্য যথেষ্ট সময় হাতে পাবার পরও ইশরাক নির্বাচনী মাঠ গোছাতে পারেনি। ইশরাক আপনাদের বার বার শান্ত করার চেষ্টা করছেন তারপরও আপনারা থামছেন না। বেয়াদবির সীমা থাকা দরকার! আপনারা যেভাবে স্লোগান দিচ্ছেন এভাবে চিৎকার চেঁচামেচি করলে ইশরাক হোসেনকে উগ্র সন্ত্রাসী হিসেবেই জনগণ মনে করবে। নির্বাচনী পথসভাতে এত বিশৃঙ্খলা থাকলে সাধারণ মানুষ আমাদের দলকে জীবনেও ভোট দিবে না। যে দলে নিজেদের ভেতরই শৃঙ্খলা নেই তারা ঢাকাকে শৃঙ্খলায় আনবে কীভাবে?

মাইক হাতে জুনিয়র নেতাদের ওপর ক্ষিপ্ত বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস বলেন,‘‘দলে জুনিয়র নেতাদের বেয়াদবি যতদিন পর্যন্ত বন্ধ না হবে, নিয়ম-কানুন যতদিন না মানা হবে, ততদিন পর্যন্ত নির্বাচন কোনো ধরনের আন্দোলনেই আমাদের বিজয় আসবে না।’’

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী-খান সোহেল বলেন, ‌‘মির্জা আব্বাস একটি পথসভায় দলের জুনিয়র নেতাদের উদ্দেশ্য করে অনেক বড় বড় কথা বলেছেন। বিশেষ করে নেতাকর্মীদের সামনে বিএনপি প্রার্থী ইশরাককে ধমক দিয়ে চরম অশোভন কাজ করেছেন তিনি। আসলে আব্বাস সাহেবের মতো বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছেন এমন নেতারা দলে থাকলে আজীবনেও কোনো নির্বাচনে বিজয়ী হওয়া যাবে না। মির্জা আব্বাস সাহেব অল্প হাঁটলেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন। স্লোগান শুনলেই বিরক্ত হয়ে পড়েন। জুনিয়র নেতারা স্লোগান দিবেন এটাই তো স্বাভাবিক। আসলে দলের বয়স্ক নেতাদের নির্বাচনী প্রচারণা থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেয়া উচিত। এতে দলের উপকারই হবে।’

আমার রাজশাহী
আমার রাজশাহী
এই বিভাগের আরো খবর