রোববার   ০৫ এপ্রিল ২০২০   চৈত্র ২২ ১৪২৬   ১১ শা'বান ১৪৪১

আমার রাজশাহী
১৮

বোমার শব্দে হাসি দেয়া সেই সিরীয় শিশু এখন তুরস্কে

ডেস্ক নিউজ

প্রকাশিত: ৫ মার্চ ২০২০  

বিমান থেকে পড়া বোমার বিকট শব্দে ভয় না পেয়ে বরং অট্টহাসি ও হাততালি দিচ্ছে একটি শিশু। সম্প্রতি এমনই এক ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছিলো ইন্টারনেটে এবং ব্যাপক সাড়াও ফেলেছিলো সেটি। সিরিয়ায় আসাদ বাহিনীর বিমান হামলায় যেন সে আতঙ্কিত হয়ে না পড়ে, একারণে তার বাবা তাকে শিখিয়েছিলো বোমা বিস্ফোরণের শব্দে না ভয় না পেয়ে সেটিকে উপভোগ করতে।

দেশটির যুদ্ধবিধ্বস্ত প্রদেশ ইদলিবের বাসিন্দা ৩ বছরের সেই শিশু সালওয়া ও তার পরিবারকে ধ্বংসের মুখ থেকে বাঁচাতে তাদের আশ্রয় দিয়েছে প্রতিবেশী দেশ তুরস্ক।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি শিশু সালওয়া ও তার পরিবার সিলভেগোযু সীমান্ত পার হয়ে পাড়ি জমায় তুরস্কে। দেশটির সরকারি বার্তাসংস্থা আনাদলু এজেন্সি’র বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

দক্ষিণ তুরস্কের রেইহানলি শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় মিলেছে এই পরিবারের। সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের সাংবাদিক বেথান ম্যাককার্নেন সেই শরণার্থী শিবির থেকে সম্প্রতি একটি ছবি তুলেছেন শিশু সালওয়া ও তার বাবা আবদুল্লাহ মোহাম্মদের, যেখানে হাস্যোজ্জল অবস্থায় দেখা যায় তাদের।

টুইটারে প্রকাশ করা সেই ছবিতে ম্যাককার্নেন লিখেন, প্রথমবারের মতো কোনো বোমার শব্দ ছাড়াই স্বাভাবিক বিষয় নিয়ে হাসতে পারছে শিশুটি।

তুরস্কের সংবাদমাধ্যমের কাছে আবদুল্লাহ মোহাম্মদ বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি কাড়তেই তিনি তৈরি করেছিলেন সেই ভিডিওটি।

তিনি বলেন, সপরিবার তুরস্কে আশ্রয় পেয়ে তিনি খুব খুশি। এখন তার মেয়ে সুযোগ পাবে স্কুলে যাবার।

আবদুল্লাহ জানান, তিনি চান সিরিয়ায় চলা যুদ্ধ-সহিংসতা খুব শীঘ্রই যেন থেমে যায় এবং তিনি যেন পরিবার নিয়ে নিজ দেশে ফিরে যেতে পারেন।

তুরস্ক এরই মধ্যে ৩০ লাখ সিরীয় শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে। এত বিশাল সংখ্যক শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে বিশ্বের শীর্ষ শরণার্থী আশ্রয় দানকারী দেশে পরিনত হয়েছে তারা।

এ শরণার্থীদের নিজ দেশে নিরাপদে ফেরত পাঠাতে সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি নিরাপদ অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে তুরস্ক সরকার। 

আমার রাজশাহী
আমার রাজশাহী
এই বিভাগের আরো খবর