বৃহস্পতিবার   ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ৮ ১৪২৬   ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪১

আমার রাজশাহী
২১২৫

মোহনপুরে মহাসড়কে শিক্ষার্থীদের ৫ কি.মি দীর্ঘ মানববন্ধন

মোস্তফা কামাল, মোহনপুর

প্রকাশিত: ১৮ জুলাই ২০১৯  

রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কে নিম্নমানের কাজ, অনিয়ম জনদুর্ভোগ রোধে ৫ কিলোমিটার লম্বা মানববন্ধন করেছে মোহনপুর উপজেলার বিভিন্ন স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। এসময় শিক্ষার্থীদের ঢলনামা উপস্থিতিতে বন্ধ হয়ে যায় ট্রাক, বাসসহ সব ধরণের যানবাহন চলাচল।

মানববন্ধনে একাত্মতা ঘোষনা লাইনে দাঁড়াতে দেখা যায় শিক্ষক, চিকিৎসক. ব্যবসায়ী, গাড়িচালকসহ সকল শ্রেণিপেশার মানুষদের।

মানববন্ধনে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা দ্রুত এ রাস্তাটি নির্মাণ কাজ শেষ করা না করলে আগামীতে মহাসড়ক বন্ধ করে দেয়ার হুঁশিয়ারি দেন। কেশরহাট ডিগ্রি কলেজ হতে শুরু করে বাকশিমইল উচ্চবিদ্যালয় পর্যন্ত  টানা প্রায় ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ হয় এ মানববন্ধনটি।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১০ পর্যন্ত আয়োজিত মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষনা পরিষদের রাজশাহী আঞ্চলিক সদস্য সচিব অধ্যাপক আশরাফুল ইসলাম সুলতান, মোহনপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মফিজ উদ্দিন কবিরাজ, মোহনপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মেহেবুব হাসান রাসেল, কেশরহাট ডিগ্রি কলেজের উপাধাক্ষ আনোয়ারুল হক হেনা, কেশরহাট মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ তাজরুল ইসলাম, কেশরহাট টিবিএম কলেজের অধ্যক্ষ আশরাফুল ইসলাম, মোহনপুর মহিলা কলেজের সহকারি অধ্যাপক আবদুল মান্নান, মহিষকুন্ডি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মজিবর রহমান, কেশরহাট উচবিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক সহিদুজ্জামান শহিদ প্রমূখ। 

উল্লেখ, ২০১৮ সালের শুরুর দিকে উত্তরাঞ্চলের ব্যস্তম রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কের নির্মাণ কাজ করা হয়। শুরু থেকেই নওগাঁ সিমানার কাজ দ্রুত শেষ করা হলেও রাজশাহী সীমানায় কাজ চলতে থাকে ঠিকাদারের ইচ্ছেমত। রাস্তাটি খুড়ে রাখলেও শুষ্কমৌসুমে দেয়া হয়নি পানি ফলে ধুলিবালিতে চরম ঝুকিতে যানবাহন চলাচল করেছে। রাস্তার ধার কেটে ফুটপাতা তৈরী করা হয়েছে।

সম্প্রতি বর্ষামৌসুমে ফুটপাত ভেঙ্গে ওই গর্ত ভরাট হচ্ছে। মুল সড়ক নিচু আর ফুটপাত উঁচুর কারণে পানি নিষ্কাশণের ব্যবস্থা না থাকার কারণে অনেক স্থানে জমে থাকে হাটুপানি। বেশকিছু স্থানে দুর্ঘটনার পর স্থানীরা টাঙিয়ে দিয়েছে লাল কাপড়ের বিপদ সংকেত। এ রাস্তার সর্বোচ্চ বিপদজনক স্থানে পরিণত হয়ে পড়েছে শিক্ষাকেন্দ্রিক কেশরহাটের বাসস্ট্যান্ড এলাকা। 

জানতে চাইলে কেশরহাট পৌর মেয়র শহিদুজ্জামান শহিদ বলেন মহাসড়কটির কাজ দ্রুত শেষ করা জরুরী। দীর্ঘদিন রাস্তাটির কার্পেটিং তুলে রেখে ঠিকাদার লাপাত্তা এটা আসলে যুক্তিক নয়। রাস্তার উপরে কোথাও কোথাও হাঁটু পানি জমে থাকছে। রাস্তার কাজের এধরনের চরম অবস্থার জন্য জনসাধারণের কাছে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া জরুরী বলে দাবী করেন তিনি।

আমার রাজশাহী
আমার রাজশাহী
এই বিভাগের আরো খবর