শুক্রবার   ০৩ এপ্রিল ২০২০   চৈত্র ১৯ ১৪২৬   ০৯ শা'বান ১৪৪১

আমার রাজশাহী
১৬০১

ফারুকেই ভরসা রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগ

মিজানুর রহমান, তানোর

প্রকাশিত: ২৩ অক্টোবর ২০১৯  

রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি।

রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি।

টানা তিনবারের এমপি ও রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরীতেই ভরসা রাখছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। যদিও জেলার সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে শীতল দ্বন্দ্ব বিদ্যমান। তারপরও দর্লীয় পর্যবেক্ষক মহলের মতে, দলীয় শক্তি এবং নিজ নির্বাচনী এলাকায় বর্তমান সরকারের ব্যাপক উন্নয়নে রাজনীতির মাঠে ফারুক চৌধুরী গড়ে তোলেন শক্ত অবস্থান। 

জানা গেছে, ২০১৪ সালের ৬ ডিসেম্বর রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন হয়। ওই সম্মেলনে ওমর ফারুক চৌধুরী সভাপতি ও আসাদুজ্জামান আসাদ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরপর থেকেই সভাপতি-সম্পাদকের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে দ্বদ্ব চলে আসছে। নেতাকর্মীদের মধ্যেও এ নিয়ে বিভক্তি দেখা দেয়। সৃষ্টি হয় দুটি আলাদা বলয়। কিন্তু এ কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে প্রায় আট মাস আগে। 

তবে এক সময়ের বিএনপি-জামায়াতের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন ও দর্লীয় জনসমর্থন আদায়ে অন্যতম ভূমিকা রাখছেন স্থানীয় সাংসদ ফারুক চৌধুরী। তাছাড়াও ক্রমান্বয়ে স্থানীয় ও জেলার রাজনীতিতে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী গড়ে তুলেছেন শক্ত অবস্থান। দর্লীয় ও ব্যক্তি ইমেজে তিনি নিজে টানা তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ের (উপজেলা-ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা) নির্বাচনে দর্লীয় প্রার্থীর পক্ষে রাতদিন কাজ করে তাঁদেরও নির্বাচিত করেছেন সাবেক এই শিল্প প্রতিমন্ত্রী ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি।

বিএনপির দুর্গে হানা দিয়ে আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে এনে দেওয়ায় ও জেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে শক্ত অবস্থানে থাকায় সামনে আওয়ামী লীগের জেলা সম্মেলনে ফারুক চৌধুরী আবারও সভাপতি হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী তার অনুসারীরা। সেক্ষেত্রে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে ওমর ফারুক চৌধুরীর প্রতিই ভরসা রাখছেন অধিকাংশ তৃণমূলের স্থানীয় নেতারা। 

গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, রাজশাহী-১ আসনের রাস্তাঘাট, মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির থেকে শুরু করে সবখানেই সাংসদ ওমর ফারুক চৌধুরীর উন্নয়নের ছোঁয়া। আর তানোর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না বলেন, রাজশাহীতে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন এখন অনেকটা সু-সংগঠিত। মূলত দলের জেলা সভাপতি ও সাংসদ ওমর ফারুক চৌধুরীর কারণেই দলে এখন শৃঙ্খলা বজায় আছে। 

চেয়ারম্যান ময়নার মতে, শহীদ পরিবারের সন্তান এবং জেলা সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী এমপির পক্ষেই রাজশাহী জেলার তৃণমূল আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের অধিকাংশই নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ আছেন। তাছাড়াও অবহেলিত গোদাগাড়ী-তানোরের সবখানে বর্তমান সরকারের ব্যাপক উন্নয়ন করে স্থানীয় জনসাধারণের মাঝে এমপি ফারুক চৌধুরী তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন বলেও দাবী করেন তিনি। 

আর রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাংসদ ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন, ‘নিজেকে নিয়ে কখনও ভাবিনা। উন্নয়নের অগ্রদূত ও বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়নে কর্মকান্ড জনগণের মাঝে তুলে ধরে কাজ করতে হবে, সেটা ভেবেই প্রতিনিয়ত কাজ করছি। দলের জেলা সভাপতি ও এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে নিঃস্বার্থভাবে তৃনমূল নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের পাশে আছি।’

আমার রাজশাহী
আমার রাজশাহী
এই বিভাগের আরো খবর