শুক্রবার   ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ৮ ১৪২৬   ২৬ জমাদিউস সানি ১৪৪১

আমার রাজশাহী
৩৯

রাবি ছাত্রী ধর্ষনের ঘটনায় সহপাঠী মাহফুজ রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

ফাইল ছবি।

ফাইল ছবি।

রাজশাহীতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী বান্ধবিকে মেসে ডেকে এনে ধর্ষন করে ও বন্ধুদের কে দিয়ে ভিডিও ধারণ করার ঘটনার সাথে জড়িত ৪ জন কে গ্রেপ্তার করেছে মতিহার থানা পুলিশ। এর মধ্যে ধর্ষক রাবি অর্থনিতি বিভাগের ২য় বর্ষের ছাত্র মাহফুজুর সারদ (২২)। এ ঘটনায় সোমবার ধর্ষক মাহফুজুর সারদকে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে।

মামলার বরাত দিয়ে মতিহার থানার (ওসি) এসএম মাসুদ পারভেজ জানান, গত ২৪ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৮ টার দিকে রাজশাহী বিশ্ব বিদ্যালয়ের অর্থনিতি বিভাগের ২য় বর্ষের ছাত্র মাহফুজুর সারদ (২২) তার রাবির এক ছাত্রী বান্ধবিকে বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে কাজলা সাঁকপাড়া এলকায় তার মেসে এনে জোর পূর্বক ধর্ষন করে এবং পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে তার বন্ধু নগরীর বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যায়ের আইন বিভাগের ছাত্র প্লাবন সরকার, রাফসান, জয়, জীবন এবং বিশাল কে দিয়ে ওই ছাত্রীকে ধর্ষনের ভিডিও মোবাইলে ধারন করে। ধর্ষনের পরে ওই ছাত্রীর কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে তারা। তাদের দাবি কৃত টাকা না দিলে ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়া হবে বলেও হুমকি দিয়ে গভীর রাতে ওই ছাত্রীকে ছেড়ে দেয় তারা। ধর্ষনের শিকার রাবি ছাত্রী বিষটি তার পিতা ও মাতাকে জানান।

গত ২৭ জানুয়ারি দুপুরে ধর্ষনের শিকার রাবির ওই ছাত্রীর বাবা ও মা কে নিয়ে মতিহার থানায় একটি ধর্ষন মামলা দায়ের করে। মামলা দায়ের করার পরেই মতিহার থানা পুলিশের একটি টিম অভিযান চালিয়ে ধর্ষক রাবির অর্থনিতি বিভাগের ছাত্র মাহবুবুর রহমানের ছেলে মাফুজুর রহমান (২১) কে ও তার দুই বন্ধু প্লাবন তালুকদার (২১) এবং রাজশাহী বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র রাফসান (২২) কে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পরে তাদের কাছে থেকে ধর্ষনের ভিডিওসহ মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে, গত রোববার রাবি ছাত্রী ধর্ষনের ঘটনার সাথে জড়িত ধর্ষক মাফুজুর রহমানের দুই বন্ধু মতিহার কাজলা এলাকার জীবন (২৫) ও জয় (২২) কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানান মতিহার থানার অফিসার ইনচার্জ এসএম মাসুদ পারভেজ। এর মধ্যে বিশাল নামের একজন পলাতক আসামীকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যহত রয়েছে।

এঘটনায় ভাড়া দেয়া বাড়ির মালিক হাসান জানান, তিন মাস আগে ওই ছাত্রদের বাড়ি ভাড়া দিয়েছিলাম। ভাড়া দেয়ার এক মাস পরে তাদের কে সুবিধা জনক আচরণ মনে না হলে তাদের কে ভাড়া নেয়া রুমটি ছেড়ে দিতে বলে ছিলাম। তারা অনুরোধ করে জানুয়ারি মাস পর্যন্ত থেকে বাড়ি ছেড়ে দিতে চায়। এর মধ্যে এমন অপ্রিতিকর ঘটনার পরে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করার পরে বিষটি জানতে পারি। রাবির ছাত্র ও বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচুর অর্থের বিনিময় ছাত্র-ছাত্রীরা পড়া লিখা করে। কিন্তুু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারনে এমন ঘটনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

স/এমএস 

আমার রাজশাহী
আমার রাজশাহী
এই বিভাগের আরো খবর